শনি. জুলা ২০, ২০১৯

বিশ্বমানের টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা নিশ্চিত করার আহবান রাষ্ট্রপতির

বিশ্বমানের টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি

Last Updated on

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ জনগণের জন্য বিশ্বমানের টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা নিশ্চিত করতে টেলিকম প্রকৌশলীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
কাল ১৭ মে, ২০১৯ ওয়ার্ল্ড টেলিকম্যুনিকেশন ও ইনফরমেশন সোসাইটি দিবস। এ উপলক্ষে আজ এক বাণীতে তিনি এ আহবান জানান।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ওয়ার্ল্ড টেলিকম্যুনিকেশন ও ইনফরমেশন সোসাইটি দিবস ২০১৯ উদ্যাপিত হচ্ছে জেনে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, বিশ্বায়নের এ যুগে তথ্যপ্রযুক্তি ও উন্নত টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির অন্যতম হাতিয়ার। তথ্যপ্রযুক্তির অভাবনীয় বিস্তার এ খাতের গুরুত্বকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। মূলত টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা ভৌগলিক সীমারেখা অতিক্রম করে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিশ্ববাসীকে এক কাতারে শামিল করেছে। তাই তথ্যপ্রযুক্তি সেবার ক্ষেত্রে সারাবিশ্বের সাথে একই পর্যায়ে থাকা, আন্তর্জাতিক বাজারে সহজে বিচরণ, উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগানো ইত্যাদি নানা কারণে সারাবিশ্বের জন্য টেলিযোগাযোগের একটি অভিন্ন স্ট্যান্ডার্ড থাকা খুবই জরুরি। এর প্রেক্ষিতে এবারের ওয়ার্ল্ড টেলিকম্যুনিকেশন ও ইনফরমেশন সোসাইটি দিবস ২০১৯এর প্রতিপাদ্য ‘ব্রিজিং দ্যা স্টান্ডার্ডাইজেশন গ্যাপ’ অত্যন্ত যথার্থ হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার সুফল দেশের সব অঞ্চলের জনগণের মধ্যে পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার ‘রূপকল্প-২০২১’ ঘোষণা করেছে । ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে সরকার ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। তথ্যপ্রযুক্তি সেবা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রতিটি ইউনিয়নে স্থাপন করা হয়েছে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার বা ইউডিসি। তৃতীয় প্রজন্মের পর এখন চতুর্থ প্রজন্মের টেলিযোগাযোগ সেবা আজ সবার হাতের মুঠোয়। দেশব্যাপী সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রদত্ত সেবা তথ্যপ্রযুক্তির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে যার মাধ্যমে জনগণ তাদের মৌলিক নাগরিক সেবাসহ নানাবিধ সেবা ঘরে বসেই পাচ্ছেন।
তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিদ্যমান টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা ও তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

Please follow and like us:
2