বুধ. ডিসে ১১, ২০১৯

‘বিদেশি উদ্যোক্তাদের আস্থার জায়গা বাংলাদেশ’ :অর্থমন্ত্রী

‘বিদেশি উদ্যোক্তাদের আস্থার জায়গা বাংলাদেশ’ :অর্থমন্ত্রী

Last Updated on

নিজস্ব প্রতিবেদক : অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বিদেশি উদ্যোক্তাদের আস্থার জায়গা এখন অপার সম্ভাবনার বাংলাদেশ।
সম্প্রতি ব্রিটিশ বিজনেস গ্রুপ আয়োজিত ব্রেকফাস্ট বৈঠকে বাংলাদেশে আরো বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, চীন, ভারত এবং এশিয়ার অন্যান্য ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির মধ্যে বাংলাদেশ কৌশলগত ভৌগলিক অবস্থানে রয়েছে। ২০৩২ সালে পৃথিবীতে এক নম্বর দেশ হবে চীন, দুই নম্বর হবে আমেরিকা, তিন নম্বর হবে ইন্ডিয়া, চার নম্বর হবে জাপান এবং পাঁচ নম্বর হবে জার্মানি। চীন, ভারত ও জাপান এই তিনটি বৃহৎ অর্থনীতির দেশের মাঝে থাকবে বাংলাদেশ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান দেশটিকে আঞ্চলিক যোগাযোগ, বিদেশি বিনিয়োগ এবং গ্লোবাল আউট সোর্সিংয়ের একটি কেন্দ্রে পরিণত করেছে। দেশে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি খাতে বিনিয়োগকে টেকসই করার জন্যই সরকার এই শিল্পাঞ্চলগুলো গড়ে তুলেছে। বিশ্বব্যাপী চলমান অর্থনৈতিক মন্দা সত্বেও বাংলাদেশ গত ১০ বছরে ৭ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি অর্জনে সমর্থ হয়েছে এবং এ বছর ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। আমরা আগামী বছর ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ থেকে ৮ দশমিক ৩০ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রত্যাশা করছি। ২০২৪ সালে প্রবৃদ্ধি হবে ১০ শতাংশ এবং সেটা অব্যাহত থাকবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের রয়েছে প্রতিযোগিতামূলক বেতন-ভাতায় সহজে প্রশিক্ষণযোগ্য নিবেদিতপ্রাণ জনশক্তি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনে স্বল্প ব্যয় এবং আমাদের বৃহৎ শুল্কমুক্ত কোটামুক্ত বাজারে প্রবেশ সুবিধা। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং অত্যন্ত আকর্ষণীয় প্রণোদনার সুযোগ গ্রহণের মাধ্যমে অধিক হারে মুনাফার সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য একটি উত্তম স্থান। এখানে ব্যবসার ক্ষেত্রে যে সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়, সারা বিশ্বে আর কোথাও তা মিলবে না। ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত দেশের তালিকায় অবস্থান নেয়ার যে লক্ষ্য সরকার ঠিক করেছে, তা অর্জনে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার যে পরিমাণ বাড়াতে হবে তা বাড়িয়েই আমার সে লক্ষ্য অর্জন করব। একবিংশ শতাব্দির বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বাংলাদেশের অভাবনীয় অগ্রগতি আরো বেগবান করতে ব্রিটিশ বিজনেস গ্রুপের মতো সংগঠনের সহযোগিতা অপরিহার্য।
অর্থমন্ত্রী সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় কারখানা স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করলে অর্থমন্ত্রী তাদের আমন্ত্রণ জানান।

Please follow and like us:
0