শনি. সেপ্টে ২১, ২০১৯

বাড়তে পারে পেঁয়াজের দাম

বাড়তে পারে পেঁয়াজের দাম

Last Updated on

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঈদের পর দাম হঠাৎ বৃদ্ধি, এরপর দাম কিছুটা কমে আসার পর আবারও পেঁয়াজের দাম বাড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। স্থলবন্দরের আড়তগুলোতে দু’দিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৬ থেকে ৮ টাকা। খুচরা বাজারে নতুন করে পেঁয়াজের দাম বাড়ার প্রভাব না পড়লেও। দু-একদিনের মধ্যেই আবারও দাম বাড়বে পেঁয়াজের। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর মিরপুর, শেওড়াপাড়া, কল্যাণপুর ও কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে গত সপ্তাহের থেকে কিছুটা কমে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, রসুন ও আদা। আর সেই আগের মতই বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি। আর ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি। যা গত সপ্তাহের থেকে কেজিতে ৫ টাকা কমেছে। তবে আবারও পেঁয়াজের দাম বাড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দুই-একদিনের মধ্যেই আবারও বাড়তে পারে পেঁয়াজের দাম। পেঁয়াজের আমদানি কারক ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম বলেন, সম্প্রতি অতিবৃষ্টি ও বন্যায় ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে পেঁয়াজের খেত নষ্ট হয়েছে। এতে এর উৎপাদন কমে গেছে এবং এ কারণে ওই দেশের বাজারেই পেঁয়াজের সরবরাহ কমেছে, যার প্রভাব পড়ছে দামে। ফলে দেশে পেঁয়াজ আমদানি ও কমে গেছে। এদিকে হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক সাইফুল ইসলাম জানান, দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কমেছে, যার প্রভাব পড়ছে দামে। আগে যেখানে ভারতের মোকামগুলো থেকে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৯-১০ রুপি দরে কিনতেন, এখন তা ২১-২২ রুপিতে কিনতে হচ্ছে। এর সঙ্গে প্রতি কেজিতে পরিবহন খরচ যোগ হচ্ছে ৫-৬ রুপি করে। গত সপ্তাহের থেকে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে আদা ও রসুনের দাম। আদার দাম কিছুটা কমে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি। আর বাজারে প্রতি কেজি রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি।

Please follow and like us:
2