Published On: রবিবার ১৩ মে, ২০১৮

বারি আলুর দ্বিগুণ ফলন পেতে চাইলে

কৃষি ও কৃষক ডেস্ক : লবণাক্ত জমিতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) উদ্ভাবিত লবণাক্ত সহিষ্ণু বারি-৭২ জাতের আলুর বীজ প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলক রোপণ করে সফলতা পাওয়া গেছে। এ জাতের আলু উচ্চ ফলনশীল ও লবণাক্ত সহিষ্ণু। তাহলে জেনে নিন এর চাষ পদ্ধতি-
বৈশিষ্ট্য : ১. গাছ মধ্যম উচ্চতা সম্পন্ন ও ইনটারমিডিয়েট টাইপ।
২. কা- সবুজ-বেগুনি এবং এন্থোসায়ানিনের বিস্তৃতি খুব বেশি। মধ্য শিরায় এন্থোসায়ানিনের বিস্তৃতি কম।
৩. পাতা গাঢ় সবুজ এবং মাঝারি আকারের।
৪. মধ্য শিরায় ও কচিপত্রফলকের কিনারায় এন্থোসায়ানিনের বিস্তৃতি নেই।
৫. আলু খাটো ডিম্বাকৃতি এবং মাঝারি থেকে বড় আকারের। আলুর রং লাল, চামড়া মসৃণ।
৬. আলুর শাসের রং হলুদ। চোখ অগভীর।
উপযোগী এলাকা : সমগ্র বাংলাদেশ। বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের জন্য এ আলু চাষের ক্ষেত্রে বেশি উপযোগী।
বপনের সময় : মধ্য-কার্তিক থেকে মধ্য-অগ্রহায়ণ (নভেম্বর) মাসে আলু লাগানোর উপযুক্ত সময়। জাতটি তাপ সহনশীল বিধায় প্রায় একমাস দেরিতে চাষ করলেও ভালো ফলন পাওয়া যায়।
উৎপাদন : এ জাতের আলু হেক্টরপ্রতি প্রায় ৪০ মেট্রিক টন করে উৎপাদিত হয়। সাধারণ জাতের আলুর চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ ফলন হয়।
ফলন : বপনের ৮৫-৯০ দিন পর আলু উত্তোলন করা যায়। অম্লীয় বেলে মাটির জন্য ৮০-১০০ কেজি বা হেক্টর ম্যাগনেসিয়াম সালফেট এবং বেলে মাটির জন্য বোরন ৮-১০ কেজি বা হেক্টর প্রয়োগ করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়।

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Videos