রবি. এপ্রি ২১, ২০১৯

বর্ষবরণের আহ্বান ‘অনাচারের বিরুদ্ধে জাগ্রত হোক শুভবোধ’

বর্ষবরণের আহ্বান ‘অনাচারের

Last Updated on

বিশেষ সংবাদদাতা : ১৪২৬ বঙ্গাব্দ। শুভ বাংলা নববর্ষ। নুসরাতের কান্নায় কাঁদছে দেশ। সভ্যতার এমন দিনে পাষ-তার সব সীমা অতিক্রম হয়েছে মাদরাসার শিক্ষার্থী নুসরাতকে হত্যার বেলায়। রাষ্ট্র, সমাজের পচনে আবারও দাগ কেটেছে এ নির্মমতায়। তবে প্রতিবাদী নুসরাত মরে গিয়ে শিখিয়ে গিয়েছে, আর স্তব্ধতা নয়, এবার আওয়াজ তোলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে। এমন আওয়াজ তোলার মধ্য দিয়েই এবারের বর্ষবরণের আয়োজন। নববর্ষ উদযাপনের সঙ্গে ছায়ানটের সম্পর্ক জড়িয়ে আছে নিবিড়ভাবে। এ বছর সামাজিক সকল অনাচারের বিরুদ্ধে মানুষের মনে শুভবোধ জাগিয়ে তোলার মানসে নতুন বাংলা সনকে বরণ করবে ছায়ানট। অনাচারের বিরুদ্ধে জাগ্রত হোক শুভবোধ- এ আহ্বানে সাজানো হয়েছে রমনার বটমূলের প্রভাতী আয়োজন।
গতকাল ছিল চৈত্রসংক্রান্তি। আজ বর্ষবরণ। বৈশাখ আসছে বলে আকাশের ঈশান কোণ কৃষ্ণরূপ নিচ্ছে আরও কদিন আগেই। ঝড় হচ্ছে, বৃষ্টি হচ্ছে। শিলা বৃষ্টিও হলো। চৈত্রের দাবদাহ-ই গ্রীষ্মকে হাতছানি দিচ্ছে। বসন্তের উদাস হাওয়া ঝড়োরূপ নিয়ে বৈশাখী হাওয়ায় মিলছে। বৈশাখী হাওয়া গায়ে লেগেছে বর্ষবরণ আয়োজকদের মাঝেও। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ, রমনার বটমূলে ধুম পড়েছে বর্ষবরণের। বিশ্রামের ফুসরত নেই এ পাড়ায়। ব্যস্ত সময় অন্য পাড়াতেও। প্রস্তুতিতেই জানান দিচ্ছে, এই বুঝি এলোরে বৈশাখ। রাজধানী ঢাকার আকাশ শনিবার সকাল থেকেই ছিল মেঘলা। চৈত্রের যে দাবদাহ তা ঠিক বলা যাবে না। তবে উদাস বাতাসে দুলেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের গাছের পাতারা। দোলা দিয়েছে শিল্পীমনেও। এ যে বৈশাখী দোলা। বর্ষবরণের অন্যতম আকর্ষণ মঙ্গল শোভাযাত্রা। বাংলা নববর্ষের সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে এ শোভাযাত্রা বের হওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। এবার ৩০ বছর পূর্ণ হচ্ছে মঙ্গল শোভাযাত্রার। শোভাযাত্রা বের হয় এখন দেশের অন্যত্রও।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদের ২৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তানভির। বর্ষবরণের ভাস্কর্য বানানোর কাজে মহাব্যস্ত। বলেন, সময় তো নেই। বৃষ্টি খানিক বাগড়া বাঁধিয়েছে। এ কারণে সবার মধ্যে ব্যস্ততা। আজকের মধ্যেই তো শেষ করতে হবে। তবে মূল কাজ শেষের দিকে। এখন শেষ বেলার রূপায়ন চলছে। একই ব্যাচের তিশা নামের অপর শিক্ষার্থী বলেন, আনন্দের শেষ নেই। বাঙালি সংস্কৃতি উদযাপনের আয়োজনে কাজ করছি। একেবারে আবেগ থেকে এটা করা। বর্ষবরণের মধ্য দিয়ে সকল অসভ্যতা দূর হোক। সকল নিষ্ঠুরতা নিপাত যাক। আর শিক্ষার্থী নুসরাত প্রতিবাদ করে সে কথাই বুঝিয়ে গেছেন। আমাদের এবারের আয়োজন নুসরাতকে বুকে ধারণ করেই।
গতকাল বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, রমনার বটমূলেও বর্ষবরণের আয়োজন প্রায় শেষের দিকে। মঞ্চ হয়ে গেছে। সকালে গিয়ে দেখা গেল, একজন নির্দেশনা দিচ্ছেন, আরেকজন মানছেন। হাতুড়ি, করাতের শব্দ আসে চারদিক থেকে। রমনার বটমূলে এখন বিশাল কর্মযজ্ঞ। দম ফেলার সময় নেই আয়োজকদের। মঞ্চ সাজানোর কাজ, দিন থাকলেও ওদের এখন ঘণ্টা গুণে সময় পার হচ্ছে। কাজের শতাংশ গণনা হচ্ছে এখন।
রাজধানীর রমনা পার্কের বটতলায় প্রতি বছরের ন্যয় এবারও ছায়ানটের পক্ষ থেকে বর্ষবরণের আয়োজন জোরেশোরেই। গ্রামের আবহ এখন শহরেও। বর্ষবরণের মেজাজে এখন রাজধানী। প্রস্তুতি সবার মাঝেই। পান্তা-ইলিশের সঙ্গে বাঙালিয়ানার নানা আয়োজনে মাতবে মানুষ। মেলা, বাউল আয়োজন আর পোশাকেও ফুটবে বৈশাখী রূপ। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী হালখাতার আয়োজন তো আছেই।
এবার ছায়ানটের আহ্বান ‘অনাচারের বিরুদ্ধে জাগ্রত হোক শুভবোধ’ : নববর্ষ উদযাপনের সঙ্গে ছায়ানটের সম্পর্ক জড়িয়ে আছে নিবিড়ভাবে। এ বছর সামাজিক সকল অনাচারের বিরুদ্ধে মানুষের মনে শুভবোধ জাগিয়ে তোলার মানসে নতুন বাংলা সনকে বরণ করবে ছায়ানট। অনাচারের বিরুদ্ধে জাগ্রত হোক শুভবোধ- এ আহ্বানে সাজানো হয়েছে রমনার বটমূলের প্রভাতী আয়োজন।
বাঙালি ঐতিহ্য প্রকাশের অনিন্দ্য উৎসবটির প্রচলন হয়েছিল ১৯৬৭ সালে। বৈরী পরিস্থিতিতে পাকিস্তান সরকারের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে রমনা বটমূলে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান করেছিল ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট। সংস্কৃতির শক্তিতে ভর করে বিজাতীয় শাসকদের বিরুদ্ধে ঘটেছিল আপন জাতিসত্তার বর্ণময় প্রকাশ। সেই ধারাবাহিকতায় একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বছরটি ছাড়া প্রতিবছর হয়ে আসছে বর্ষবরণের এই প্রভাতী অনুষ্ঠানমালা। নববর্ষের আনন্দমাখা রংময়তায় নাগরিক মননের চেতনাকে বরাবরই শাণিত করেছে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের এ আয়োজন। এবার সংগঠনটি আয়োজন করতে যাচ্ছে ৫১তম বর্ষবরণ অনুষ্ঠান।
প্রতিবারের মত এবারও গানে গানে নতুন বছরকে বরণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। নতুন বছরের প্রথম সূর্যোদয়ের মুহূর্তে প্রভাতী রাগে বর্ষবরণের এই আয়োজন হবে এবার আরো নান্দনিক।
এবারের প্রস্তুতি সম্পর্কে ছায়ানটের সহ-সভাপতি খায়রুল আনাম শাকিল বলেন, ‘সত্য ও সুন্দরের শক্তিতেই পরাজিত হবে মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতাসহ সব অশুভ শক্তি। শুরু হবে নতুন আলোয় আরেকটি নতুন বছর- এমনটাই প্রত্যাশা সবার।’
তিনি বলেন, ‘পয়লা বৈশাখকে কেন্দ্র করে প্রায় এক মাস আমাদের মহড়া চলেছে। এবারও শতাধিক শিল্পী মঞ্চে উপস্থিত থাকবেন। গানে গানে সুরে সুরে প্রতিধ্বনিত হবে মানুষের অধিকারের কথা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কথা, বিবেক জাগ্রত হওয়ার আহ্বান।’
ছায়ানটের সহ-সভাপতি আরো বলেন, ‘এবারের আয়োজনে ১৫টি একক গান থাকবে এবং ১২টি সম্মেলক গান থাকবে। এছাড়া থাকবে পাঠ, আবৃত্তি। ছায়ানটের সভাপতি ড. সনজীদা খাতুন অনুষ্ঠানের শেষে বক্তব্য রাখবেন।’
বর্ষবরণের এ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং বাংলাদেশ বেতার। বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত থেকে অনুষ্ঠান দেখা যাবে ছায়ানটের ইউটিউব চ্যানেলে (যঃঃঢ়://নরঃ.ষু/পযযধুধহধঁঃ)।
নববর্ষের প্রভাতী অনুষ্ঠানের বৃত্তান্ত : যথারীতি পয়লা বৈশাখে ভোর সোয়া ৬টায় বছরের প্রথম সূর্যোদয়কে স্বাগত জানানো হবে রাগালাপ দিয়ে। প্রত্যুষে থাকছে প্রকৃতির স্নিগ্ধতা ও সৃষ্টির মাহাত্ম্য নিয়ে ভোরের সুরে বাঁধা গানের গুচ্ছ। পরের ভাগে গান-পাঠ-আবৃত্তিতে অনাচারকে প্রতিহত করা এবং অশুভকে জয় করার জাগরণী সুরবাণী, দেশ-মানুষ-মনুষ্যত্বকে ভালোবাসবার প্রত্যয়।
বরাবরের মতো এবারও ছায়ানটের নববর্ষ আবাহন শুরু হবে পয়লা বৈশাখ রোববার ভোর সোয়া ৬টায়। দুই ঘণ্টা ব্যাপ্তির অনুষ্ঠানের সূচনা হবে সেতারের সুর মূর্ছনায়। শুরুতে থাকবে রাগ পরমেশ্বরী। এই পরিবেশনা শেষে গীত হবে সম্মেলক কণ্ঠের গান।
নববর্ষের অনুষ্ঠানমালায় এবার থাকছে ‘এসো হে বৈশাখ, এসো, এসো’ গানটি। বৈশাখ নিয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বহুল আলোচিত এই গানটি সর্বশেষ ২০০০ সালে গাওয়া হয়েছিল ছায়ানটের প্রভাতী আয়োজনে। ২০০১ সালের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে এই গানটি পরিবেশিত হওয়ার কথা ছিল। ওই দিনের গানের তালিকায় সম্মেলক সঙ্গীত হিসেবে শেষ পর্যায়ে রাখা হয়েছিল গানটি। কিন্তু অনুষ্ঠানের মাঝপথে ধর্মান্ধ জঙ্গিদের বোমা হামলায় প- হয়ে যায় ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। ফলে আর গাওয়া হয়নি নববর্ষ বরণের সেই অনবদ্য গানটি। সেই সূত্রে ১৫ বছর পর ২০১৫ সালে নতুন উদ্যমে গীত হয় এই গানটি। এবারো গানটি থাকছে বর্ষবরণের আয়োজনে।
এবারের আয়োজনে সম্মেলক কণ্ঠে গাওয়া হবে ‘ও আলোর পথযাত্রী, এ যে রাত্রি, এখানে থেমো না’, ‘সংঘ সরণ তীর্থ যাত্রা পথে এসো’, ‘ওরে বিষম দইরার ঢেউ, উথাল পাথাল করে’, ‘মানুষ ধর মানুষ ভজ, শোন বলি রে পাগল মন’, ‘শুভ্র সমুজ্জ্বল, হে চির-নির্মল’, ‘মোরা সত্যের’ পরে মন আজি করিব সমর্পণ’সহ ১২টি সম্মেলক গান। একক কণ্ঠেও গাওয়া হবে ১৫টি গান।
এবার ছায়ানটের নববর্ষ আবাহনে পরিবেশিত হবে রবীন্দ্র-নজরুল ছাড়াও সলিল চৌধুরীর গণসঙ্গীত, লালন ফকিরের গান ও রশিদউদ্দীন রচিত সঙ্গীত। একক কণ্ঠে গান শোনাবেন ১৫ জন খ্যাতিমান ও পরিচিত নবীন-প্রবীণ শিল্পী। এর মধ্যে রয়েছেন খায়রুল আনাম শাকিল, লাইসা আহমদ লিসা, চন্দনা মজুমদার, বিজন চন্দ্র মিস্ত্রী। সব মিলিয়ে অনুষ্ঠানে গাওয়া হবে ২৮টি গান। প্রভাতী বর্ষবরণের আয়োজন শেষ হবে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।
অনুষ্ঠানের শেষে এবারের প্রতিপাদ্য নিয়ে বক্তব্য রাখবেন ছায়ানট সভাপতি ড. সনজীদা খাতুন। তিনি বলবেন বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে মানবতা ও মানুষের অধিকার এবং শান্তির কথা। ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বিটিভি ওয়ার্ল্ড। বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলোও বিটিভির লিংক নিয়ে এই অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে।
বৈশাখ ঘিরে সারাদেশে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা, গুজব-প্রোপাগান্ডা ঠেকাতে নজরদারি : পহেলা বৈশাখ ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো ধরনের উসকানি, গুজব বা প্রোপাগান্ডায় কান না দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, এসব বিষয়ে পুলিশের নজরদারি রয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে রমনার বটমূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মহড়া ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে তিনি একথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, কিছুক্ষণ আগে আপনারা নিরাপত্তা মহড়া দেখলেন। আমরা পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছি, তারা এখন যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারে। এখানকার নিরাপত্তার খাতিরে যা যা প্রয়োজন আমরা তাই করেছি।
তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখে এখান থেকে শুরু হবে ট্রেডিশনাল অনুষ্ঠান। এরপর মঙ্গল শোভাযাত্রা। পুরো ঢাকা শহরের সবাই এই শোভাযাত্রা ও বটমূলের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। উৎসবকে নির্বিঘ্ন করতে ঢাকাসহ সারাদেশে গোয়েন্দা নজরদারিসহ সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে, তারা এখন যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাজধানীর প্রতিটি বড় উৎসব উদযাপনস্থল সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় রয়েছে। মঙ্গল শোভাযাত্রা ঘিরে আরও কঠোর নিñিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। আমরা বিশ্বাস করি, নিরাপত্তা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের তৎপরতায় কোনো ধরনের নাশকতার শঙ্কা নেই।
তিনি আরও বলেন, এটি জাতীয় উৎসব। আমি মনে করি, কেউ যদি অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায় তাহলে জনগণই তার প্রতিরোধ করবে।
এবারের বৈশাখের অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ কি-না? সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এবারের নিরাপত্তা অন্যবারের মতোই, নতুন কোনো চ্যালেঞ্জ নেই। অপরাধীরা নানাভাবে মেধা প্রয়োগ করে, আমরাও সেভাবেই আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীকে তৈরি করেছি। সক্ষমতা বাড়িয়েছি।
এসময় বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া, কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম, পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মারুফ হোসেন সরদারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Please follow and like us:
0