মঙ্গল. অক্টো ১৫, ২০১৯

পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমেছে ২০ টাকা

পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমেছে ২০ টাকা

Last Updated on

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভারতের রফতানি বন্ধের ঘোষণায় বেশ কিছুদিন বাজারে লাফিয়ে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। তবে দুয়েকদিন ধরে পাইকারি বাজারে পাশাপাশি খুচরা বাজারেও পণ্যটির দাম কমতে শুরু করেছে। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৯৫ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা ৭০ থেকে ৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। গতকাল বুধবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর শান্তিনগর, মালিবাগ ও রামপুরা বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। শান্তিনগর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা আর ভারতীয় পেঁয়াজ ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যদিও সপ্তাহের শুরুর দিকে দেশি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ১০০ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ৯৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘আমরা খুচরা বিক্রেতা, যেমন কিনি তেমন বিক্রি করি। পাইকারি বাজার থেকে কেজিপ্রতি দেশি পেঁয়াজ ৭৩ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ৬২টাকা দরে কিনেছি। ফলে দেশি পেঁয়াজ ৮০ আর ভারতীয় পেঁয়াজ ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।’ শান্তিনগর বাজারের ক্রেতা আরেফিন হুসাইন বলেন, ‘পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২০ টাকা করে কমেছে। দুইদিন আগেও ১০০ টাকা দরে পেঁয়াজ কিনেছি। আজ ৮০ টাকা কিনলাম।’ এদিকে মালিবাগ ও রামপুরা বাজার ঘুরেও দেখা গেছে একই চিত্র। রামপুরা কাঁচাবাজারে কথা হয় পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতা কাদের আলীর সঙ্গে। তিনি সারাবাংলাকে বলেন, ‘আমরা গতকাল থেকে কেজিপ্রতি দেশি পেঁয়াজ ৮০ আর ভারতীয় পেঁয়াজ ৭০ টাকা দরে বিক্রি করছি। এর আগে আমাদের বেশি দামে পেঁয়াজ কেনা ছিলো তাই বেশি দামেই বিক্রি করতে হয়েছে।’
রামপুরা-বনশ্রী এলাকার বাসিন্দা নাসরিন হুমায়রা বলেন, ‘দাম কমেছে। তবে আমরা তো ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি। সরকার যখন নজর দেয় তখন দাম কমে। আবার যখন সরকারের নজর থাকে না তখন দাম বাড়ে।’ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের হিসাব মতে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন হয়েছে ২৩ দশমিক ৩০ লাখ মেট্রিকটন। আর পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে ১০ দশমিক ৯২ লাখ মেট্রিকটন। ফলে বাংলাদেশে পেঁয়াজের জোগান রয়েছে ৩৪ দশমিক ২২ লাখ মেট্রিকটন। অন্যদিকে দেশে বাৎসরিক পেঁয়াজের চাহিদা ২৪ লাখ মেট্রিক টন। ফলে দেশেই বাড়তি সরবরাহ রয়েছে প্রায় ১০ দশমিক ২২ লাখ মেট্রিকটন। উল্লেখ্য, ভারতে বন্যার কারণে কয়েকটি রাজ্যে উৎপাদন কম হওয়ার অজুহাত দেখিয়ে গত ২৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় দেশটি। এ সুযোগে ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ মজুদ করে দাম বাড়িয়ে দেয়।
পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমেছে ২০ টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক : ভারতের রফতানি বন্ধের ঘোষণায় বেশ কিছুদিন বাজারে লাফিয়ে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। তবে দুয়েকদিন ধরে পাইকারি বাজারে পাশাপাশি খুচরা বাজারেও পণ্যটির দাম কমতে শুরু করেছে। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৯৫ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা ৭০ থেকে ৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। গতকাল বুধবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর শান্তিনগর, মালিবাগ ও রামপুরা বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। শান্তিনগর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা আর ভারতীয় পেঁয়াজ ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যদিও সপ্তাহের শুরুর দিকে দেশি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ১০০ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ৯৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘আমরা খুচরা বিক্রেতা, যেমন কিনি তেমন বিক্রি করি। পাইকারি বাজার থেকে কেজিপ্রতি দেশি পেঁয়াজ ৭৩ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ৬২টাকা দরে কিনেছি। ফলে দেশি পেঁয়াজ ৮০ আর ভারতীয় পেঁয়াজ ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।’ শান্তিনগর বাজারের ক্রেতা আরেফিন হুসাইন বলেন, ‘পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২০ টাকা করে কমেছে। দুইদিন আগেও ১০০ টাকা দরে পেঁয়াজ কিনেছি। আজ ৮০ টাকা কিনলাম।’ এদিকে মালিবাগ ও রামপুরা বাজার ঘুরেও দেখা গেছে একই চিত্র। রামপুরা কাঁচাবাজারে কথা হয় পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতা কাদের আলীর সঙ্গে। তিনি সারাবাংলাকে বলেন, ‘আমরা গতকাল থেকে কেজিপ্রতি দেশি পেঁয়াজ ৮০ আর ভারতীয় পেঁয়াজ ৭০ টাকা দরে বিক্রি করছি। এর আগে আমাদের বেশি দামে পেঁয়াজ কেনা ছিলো তাই বেশি দামেই বিক্রি করতে হয়েছে।’
রামপুরা-বনশ্রী এলাকার বাসিন্দা নাসরিন হুমায়রা বলেন, ‘দাম কমেছে। তবে আমরা তো ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি। সরকার যখন নজর দেয় তখন দাম কমে। আবার যখন সরকারের নজর থাকে না তখন দাম বাড়ে।’ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের হিসাব মতে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন হয়েছে ২৩ দশমিক ৩০ লাখ মেট্রিকটন। আর পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে ১০ দশমিক ৯২ লাখ মেট্রিকটন। ফলে বাংলাদেশে পেঁয়াজের জোগান রয়েছে ৩৪ দশমিক ২২ লাখ মেট্রিকটন। অন্যদিকে দেশে বাৎসরিক পেঁয়াজের চাহিদা ২৪ লাখ মেট্রিক টন। ফলে দেশেই বাড়তি সরবরাহ রয়েছে প্রায় ১০ দশমিক ২২ লাখ মেট্রিকটন। উল্লেখ্য, ভারতে বন্যার কারণে কয়েকটি রাজ্যে উৎপাদন কম হওয়ার অজুহাত দেখিয়ে গত ২৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় দেশটি। এ সুযোগে ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ মজুদ করে দাম বাড়িয়ে দেয়।

Please follow and like us:
2