রবি. এপ্রি ২১, ২০১৯

পরিবর্তন এসেছে ক্রেডিট কার্ডের সুদহারে

পরিবর্তন এসেছে ক্রেডিট কার্ডের সুদহারে

Last Updated on

নিজস্ব প্রতিবেদক : হঠাৎ টাকার প্রয়োজন বা বড় ধরনের কেনাকাটায় বেশ কাজে আসে ক্রেডিট কার্ড। এছাড়া টাকা বহনের ঝুঁকি না থাকায় দিন দিন বাড়ছে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার। স্বল্পমেয়াদী ঋণও গ্রহণ করা যায় ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে যেসব ব্যাংক ঋণ সুবিধা দেয় তাদের সবাই রয়েছে ১৪ থেকে ২৫ শতাংশের ভিতরে। কিন্তু এক বছর আগেও এই প্লাস্টিক কার্ডের সুদহার সীমাবদ্ধ ছিল ১৫ থেকে ৩০ শতাংশের মধ্যে। বছরের ব্যবধানে সরকারি বেসরকারিসহ সকল ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের সুদহার কমে এসেছে। সোনালী ও জনতা ব্যাংকে এক বছর আগে ক্রেডিট কার্ডে ঋণের সুদহার ছিল ১৪ ও ২৪ শতাংশ। কিন্ত বর্তমানে ব্যাংক দুটিতে এই সুদহার ৯ শতাংশ। আবার বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে এবি ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক ও সিটি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের সুদহার ছিল যথাক্রমে ২০, ২৪, ২৭ ও ২৫ শতাংশ। বর্তমানে ব্যাংকগুলোতে একই ঋণের সুদহার ১৭.৫, ১১.৫, ১২ ও ২০.৫ শতাংশ। তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে এখন ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহারকারীর সংখ্য ৮ লক্ষাধিক। ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণ নিলে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে কিস্তি দেওয়ার শেষ তারিখটি। কারণ নির্ধারিত সময়ের এক মিনিট অতিক্রম হলেও গুনতে হবে জরিমানা, সুদের টাকা পরিণত হবে আসল ঋণে। পরবর্তী মাস থেকে আসল ঋণে পরিণত হওয়া টাকার অতিরিক্ত সুদ গুনতে হবে গ্রাহককে। অনেকের মধ্যে ক্রেডিট কার্ড নিয়ে একধরনের ভীতি কাজ করে। তারা ভাবেন, এটা শেষে ব্যয়ের ফাঁদই হয়ে দাঁড়ায় কি না। কিন্তু সময়মত ধার পরিশোধ করলে এখানে ভয়ের কোনো কারণ নেই। কিন্তু নির্ধারিত সময় অতিক্রম করলেই যত ঝামেলা। ঈদ, পহেলা বৈশাখ ও পুজাসহ বিভ্ন্নি উৎসবে ক্রেডিট কার্ডে কেনাকাটায় ছাড় দিয়ে থাকে ব্যাংকগুলো। গ্রাহকদের উৎসবের আনন্দ বাড়াতে নতুন মাত্রা যোগ করে এধরনের বিশেষ ছাড়। যেমন সম্প্রতি পহেলা বৈশাখেও ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিল পরিশোধ এবং অনলাইন শপিংয়ে কেনাকাটার ওপর ১০-৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় বা ক্যাশব্যাক অফার দিয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো।

Please follow and like us:
0