নিম্নমুখী প্রবণতা পুঁজিবাজারে

পুঁজিবাজারে

নিজস্ব প্রতিবেদক : টানা তিন কর্মদিবস সূচক ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর বৃহস্পতিবার নিম্নমুখী প্রবণতায় শেষ হয়েছে পুঁজিবাজারের লেনদেন। বাজারসংশ্লিষ্টরা একে স্বাভাবিক মূল্য সংশোধন হিসেবে দেখছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৮২ পয়েন্ট। এর আগে গত তিন দিনে ৪ এপ্রিল থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সূচক বেড়েছে ২৪৯ পয়েন্ট। রোববার ডিএসইএক্সের অবস্থান ছিলো ৫ হাজার ৮৮ পয়েন্টে। যা বুধবার (০৭ এপ্রিল) বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৩৩৭ পয়েন্টে। সপ্তাহ শেষে ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক রয়েছে ৫ হাজার ২৫৪ পয়েন্টে। দীর্ঘ সময় ধরে একই দরে আটকে ছিল পুঁজিবাজারের শতাধিক কোম্পানি। এসব কোম্পানির শেয়ারদর মাঝে মাঝে কিছুটা বাড়লেও কমে আবারও আটকে থাকত ফ্লোর প্রাইসে। এর ফলে নির্ধারিত দরের নিচে লেনদেন হওয়ার সুযোগ ছিল না কোম্পানিগুলোর। সর্বশেষ বুধবার নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মিত সভায় উঠিয়ে দেওয়া হয় এমন ৬৬ কোম্পানির সর্বনিম্ন দর। সূত্রমতে, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার্থে ও পুঁজিবাজারের উন্নয়নে প্রাথমিকভাবে ৬৬টি কোম্পানি থেকে ফ্লোর প্রাইসের নির্দেশনা প্রত্যাহার করা হয়। যা গত বছরের ১৯ মার্চ করোনা মহামারির কবলে পতনরোধে দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে ৪৪টি কোম্পানির সিকিউরিটিজ ফ্লোর প্রাইসে আটকে আছে। ডিএসইতে গতকাল বৃহস্পতিবার ৪৭৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিন থেকে ১০৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা কম। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৫৮২ কোটি ৫২ লাখ টাকার। এদিন ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ৮২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৫৪ পয়েন্টে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই৩০ সূচক ১৬ পয়েন্ট এবং ডিএসইএস বা শরিয়াহ সূচক ২০ পয়েন্ট কমেছে। বৃহস্পতিবার ডিএসইতে মোট ৩৪৬টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৪৭টির, দর কমেছে ২৬৪টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টি কোম্পানির। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই কমেছে ২০৩ পয়েন্ট। সূচকটি ১৫ হাজার ২৩১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৪ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার। সিএসইতে মোট ২১৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৪১টির, দর কমেছে ১৫৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টির।

Please follow and like us: