শনি. জানু ১৮, ২০২০

নারীর প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাবে কবে?

নারীর প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাবে কবে?

Last Updated on

মাহফুজা অনন্যা : একটি মেয়ের জন্ম থেকে বেড়ে ওঠা, জীবনযাপন সবই নির্ভর করে সমাজের গঠন, কাঠামো ও প্রকৃতির উপর। এ সমাজ নিয়ন্ত্রণের মূলে যারা রয়েছেন তারা নিজেদেরকে প্রাধান্য দিয়েই সমাজ নিয়ন্ত্রণ করছেন। নারীরা শিক্ষা লাভ করছে ,কর্ম ক্ষেত্রে যোগ দিচ্ছে, আয়-রোজগার করছে-এসব যেমন ঠিক তেমনি এটাও ঠিক যে, ঘরে-বাইরে আজও নারীরা নির্যাতিত হচ্ছে। নারী নির্যাতন ও তার প্রতিকারের চেষ্টা, নারীর সমানাধিকার, নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে ভাষণ বা অঙ্গীকারের কমতি না থাকলেও তা বাস্তবায়িত হচ্ছে না। হাতে গোনা কয়েকজন নারীর কথা বাদ দিলে গরিষ্ঠসংখ্যক নারী যে অন্ধকারে ছিলেন এখনও তাদের জীবন থেকে সে আঁধার যায়নি মুছে! রয়ে গেছেন !

নারীর সমানাধিকার ও সংগ্রামের বিশ্বজনীন প্রতীক ‘দ্য বোভোয়ার’ চেয়েছিলেন নারী ও পুরুষের সাম্য ও প্রীতিপূর্ণ বিকাশ। কিন্তু পিতৃতান্ত্রিক সমাজে মেয়ের জন্ম মানেই পরিবারের ভয়, নিরাপত্তার অনিশ্চয়তা, মেয়ে মানেই দুর্বল যা তাকে পরনির্ভরশীল করে তোলে। সমাজ ছোটখাটো কিছু পরিবর্তন এনে মেয়েদের কিছু সুবিধা দিলেও মূল কাঠামোতে আজও তেমন কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। বদলয়ানি সমাজের মানুষের মানসিকতা। সমাজ মেয়েদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রাচীন ভারতের মনুর নিষেধাজ্ঞা ও উনিশ শতকের ইংল্যান্ডের সামাজিক ভিক্টোরীয় আদর্শ সযতেœ লালন করে চলেছে ভিন্নরূপে,নতুন নতুন রাংতায় মোড়ানো। নারীর প্রতি সামাজিক ও পারিবারিক মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে আমাদের আরও অনেক কিছু করতে হবে, যেতে হবে অনেক দূর।

পুরুষতান্ত্রিক সমাজে পুরুষের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখার চেষ্টায় নারীকে নিরাপত্তা দেওয়ার অঙ্গীকার থাকলেও তাকে সমানাধিকার দেওয়ার ভয় অবিরাম তাড়া করে চলেছে। প্রকৃত নারী মুক্তির বিষয়টি হুমকি হয়ে দেখা দেয় নারীর ওপর নানা রকম অন্যায্য পারিবারিক ও সামাজিক বিধিনিষেধ আরোপের কারণে । এমনকি শ্রমজীবী পুরুষদের মধ্যেও নারীর অধিকারের প্রশ্নে নেতিবাচক মনোভাব দেখা যায়, তাদের অনেকেই নারীকে দেখে থাকেন বিপদজনক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে । আপনি ভাবছেন আপনি ঠিক এমন নন। আপনি নারী-পুরুষকে সমান হিসেবেই দেখেন। আপনার মধ্যে নিশ্চয় উদারতা আছে। কিন্তু সমাজ আপনাকে উদারতা দেখানোর যতটা ছাড় দিয়েছে আপনি তারমধ্যেই আসা-যাওয়া করেন, বেশি উদার হতে গেলে যে আপনি সমাজ বহির্ভূত হবেন। যুগযুগ ধরে বড়বড় রথী,মহারথী,শাস্ত্রকর,পন্ডিত সমাজের নিয়ম বা কাঠামোতে মাটি লাগিয়ে তাকে আরও মজবুত বা অনমনীয় করেছেন।

স্থান,কাল,পাত্র নির্বিশেষে মেয়েদের নিয়ন্ত্রণের চেষ্টাটা একইরকম। মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ছাড়া অন্যত্র রাজা বা শাসকের পুত্রসন্তান না থাকলে বা অযোগ্য প্রমাণিত হলে তবেই কন্যাসন্তানকে সিংহাসনে বসানোর কথা ভাবা হয়েছে। নারীর স্থান পুরুষের পরেই রয়ে গেছে প্রাচীন কাল থেকে। কখনও নারী ও পুরুষকে সমান বা এক কাতারে স্থান দেওয়া হয়নি। নারীকে পূর্ণ মানুষ না ভেবে ভাবা হয়েছে অর্দ্ধ মানুষ। সে জন্যই সমাজে নারীদের দ্বিতীয় লিঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সমাজের কথা বলতে গেলে সমাজে একটি বড় কাঠামোর ভিতরে একাধিক ছোটছোট কাঠামো থাকে। প্রচলিত ঐতিহ্য,আচার-আচরণ, রীতিনীতি,ধর্ম শিক্ষা, সংস্কার,আইন, বিবাহব্যবস্থা ও অন্য সবকিছু নিয়ে একাধিক কাঠামো আর সেইসব কাঠামো নিয়ে বৃহৎ কাঠামো গড়ে ওঠে। যখনই নারীর এগিয়ে চলার পথের বাধা দূর করার প্রশ্নটি সামনে আসে, তখনই সমাজপতিরা সমাজের মূল কাঠামোকে অক্ষুণ্ন রেখে ছোট ছোট সংস্কারে ব্রতী হয়েছেন । মানুষ নিজেদের ক্রমাগত সভ্য হওয়ার দাবি করছে। অথচ নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির প্রশ্নে ভ্রান্তি কাটছে না। আজও সমাজ, ঐতিহ্য, প্রচলিত সংস্কার নিয়ে প্রশ্নকে সুনজরে দেখা হয় না। নানা বাস্তব প্রয়োজনেই মেয়েরা শিক্ষিত হচ্ছে,উচ্চ-শিক্ষা লাভের সুযোগও গ্রহণ করছে কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিজেরমতো জীবনযাপন, জীবিকানির্বাচন করতে পারছে না,তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাঁধা পাচ্ছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারী এখনও সমানভাবে অংশ নিতে পারে না।

নিজে উপার্জন করেও অনেক ক্ষেত্রে উপার্জিত অর্থ ব্যয়ের স্বাধীনতা নারীর থাকে না। জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও আজও সমাজ তার রক্তচক্ষু দেখিয়ে কত জনের জীবন তিক্ত ও বিপন্ন করে তুলছে। সব বিষয়েই এখনও মেয়েদের উপর সামাজিক চাপ একটু বেশিই কঠোর। একা বা অবিবাহিত নারী কিংবা বিবাহবিচ্ছেদ ঘটেছে যার, কিংবা বিধবা নারীদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে সামাজিক বিধিনিষেধ দৃষ্টকটূভাবেই বহাল আছে। জীবন যার, তারই অধিকার থাকা উচিত সে জীবন কীভাবে চলবে সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার। সমাজের কিছু মানুষ একা থাকা নারীকে অপদস্থ করে বিকৃত আনন্দ উপভোগ করে থাকে। প্রতিটি মুহূর্তে একা নারীকে একাকিত্বের বিড়ম্বনা বুঝিয়ে দেওয়া হয় । এমনকি ‘সিঙ্গল মাদার’-এর সন্তানকেও এ সমাজ নানা গঞ্জনা দিয়ে থাকে, যেন বাবার পরিচয় ছাড়া সন্তানের মানুষ হয়ে ওঠাটা অন্যায় । সমাজের চাপেই বাড়তে থাকে হতাশা। অথচ একজন পুরুষের স্ত্রী বিয়োগ হলে এ সমাজ তার সমস্ত ভালোবাসা দিয়ে সান্তনা দিতে কার্পণ্য করে না। পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার জন্য অনেকের সহানুভূতি নারীর পরিবর্তে পুরুষের দিকেই ঝুঁকে থাকে।

অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হলেই নারীর আর কোনো সমস্যা থাকবে না বলে একটি ধারণা এখন চালু হচ্ছে। কিন্তু এই ধারণাও শতভাগ সঠিক নয়। চাকরিজীবী নারীরা সবাই খুব সুখে-শান্তিতে সংসার জীবন কাটাচ্ছেন বলে মনে করার কোনো কারণ নেই। নারীকে পুরুষের চেয়ে হীনবল ভাবার মানসিকতা থেকেই কতোগুলো সামাজক ধারণা তৈরি করা হয়। নারীদের মনে করা হয় শারীরিকভাবে পুরুষের চেয়ে দুর্বল। নারীর কাজ এবং পুরুষের কাজ বলে যে বিভাজন তৈরি করা হয়ে তা-ও আসলে নারীদের অধিকার বঞ্চিত রাখার একটি কূটকৌশল ছাড়া আর কিছু নয়। শারীরিক ও মানসিক শ্রমসাধ্য যে কাজগুলোকে এতোদিন পুরুষের কাজ বলে ধরা হতো, সে কাজগুলোও এখন নারীরা করছে সমান সক্ষমতা ও দক্ষতার সঙ্গে। বিমান চালনা কিংবা পাহাড় চূড়ায় ওঠা – কোনোটাতেই মেয়েরা পিছিয়ে নেই। তাই সব কাজ নারীর নয় বলে এখন আর মেয়েদের পিছনে ঠেলে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই আজ এটা নিয়ে কোনো বিতর্ক অর্থহীন।

নারী-পুরুষের সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পথে বড় অন্তরায় হলো দৃষ্টিভঙ্গির। নারীকে অধস্তন ভাবার মানসিকতা দূর না হলে, নারীকে নারী হিসেবে না দেখে মানুষ হিসেবে দেখলেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। কুসংস্কার ও অন্ধত্ব দূর করতে হবে। নারীদের ভোগের সামগ্রী হিসেবে দেখারঅপসংস্কৃতির অবসান ঘটানোর জন্য যে উন্নত শিক্ষা-সংস্কৃতি-রুচিবোধের চর্চা প্রয়োজন তার অনেক ঘাটতি এখনও রয়েছে বলেই এখনো নারীদের ঘরে-বাইরে শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। পুরুষের আধিপত্যবাদী বা কর্তৃত্ববাদী মন-মানসিকতার কারণেই নারীর প্রতি সহিংসতা কমছে না।

দৃষ্টভঙ্গিগত সমস্যার কারণেই আমাদের সমাজ ও পরিবার এখনও নারীশিশু জন্মকে ভয় পায়। ফলে নারী ভ্রূণহত্যা দিনদিন বেড়ে চলেছে। একটু সুদৃষ্টি দিলে আমরা দেখি এ সমাজই নারীকে পণ্য করে গড়ে তোলে,অসহায় ও নিরুপায় বহু নারীকে দেহব্যবসার দিকে ঠেলে দেয়, আবার সুযোগ বুঝে সেইসব নারীকেই গালি দেয় বিভিন্ন উপনামে। আবার যে নারী সমাজ সচেতন,সমাজের মূল বা পুরনো কাঠামোকে মানতে নারাজ, সমাজের ঘুণেধরা প্রচলিত কাঠামোতে বিন্দুমাত্র আঘাত করেন তখনই সেই নারীকে অপদস্থ করতে তথাকথিত ‘আধুনিক’ শিক্ষিত মানুষেরাও এগিয়ে আসেন।তারাও সমাজের আরোপিত শিক্ষা ভুলে গিয়ে নিজেদের রুচি ও শালীনতার নোংরা পরিচয় দেন। অথচ আইন করে এসব মানুষের শাস্তির ব্যবস্থা করলে ভবিষ্যতে এ ধরণের অপরাধ কমে যেতো।

পৃথিবীতে কোনো সৃষ্টিই হাসি, উপেক্ষা আর অমর্যাদার হতে পারে না! অথচ একদিন উন্নতির শিখরে উঠা সম্ভাবনাময় নারীটিও চরম হতাশা, ক্ষোভ, অভিমানে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন এমন নজির বহু আছে। কখনও তিনি শিক্ষক,কখনও সাহিত্যকর্মী,কখনও ঘরের বউ,বা মেয়ে। আত্মহত্যা করলে সবাই ধিক্কার দেন,ছিঃ একজন শিক্ষিত মেয়ে এত দুর্বল! অথচ বেঁচে থাকতে এ সমাজ তার সমস্যার কোনো সমাধান দেয় না। যে সমাজ কারো বিপদে এগিয়ে আসে না, সেই সমাজই আজীবন দৃষ্টির আড়ালে থেকে মানুষকে অদৃশ্য ভূতের মতো ভয় দেখিয়ে চলে! এখনও কোনো নারী যৌতুক নামের কুপ্রথার বলি হলেও সবাই মেনে নেন, কিছুদিন পরেই ভুলে যান। কিন্তু যিনি ঘাতক,যার বা যাদের জন্য মেয়েটি নিজের জীবন বিসর্জন দেয়, তারা বুক ফুলিয়ে সমাজে ঘুরে বেড়ান। যার কারণে মেয়েটি বেঁচে থাকতে পারেনি , কোমল মনটাকে যে খুনি খুন করেছেন, তিনি দিব্যি মাথা তুলে দাঁড়িয়ে থাকেন সমাজের আশ্রয়ে। সমাজের চোখ তাকে দোষী হিসেবে দেখে না। সমাজ তখন পুরোপুরি অন্ধ! আর যে নারীরা সহ্য করে বেঁচে থাকেন বিশ বাঁও জলের ভিতর থেকে কেবল তাদের কান্নার আওয়াজ ভেসে আসে। আবার সমাজে অনেক নারী আছেন যারা মহিলা হওয়ার সুযোগ নেন। সেক্ষেত্রে লিঙ্গ বৈষম্যকে তারা নিজেরাই স্বীকৃতি দেন বলে তাদের নিয়ে সমাজের বিশেষ কোনো সমস্যা থাকে না। কিন্তু তারা এতটাই অজ্ঞ যে এটুকুও বোঝে না নারী যতদিন নারী হয়ে থাকবে ততোদিন প্রকৃত মানুষ হয়ে উঠতে পারবে না।

কিছুদিন আগে অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন অভিজিৎ বিনায়ক বন্দোপাধ্যায়, এস্থার দুফলো এবং মাইকেল ক্রেমার। তাদের মধ্যে অভিজিৎ বন্দোপাধ্যায় এবং এস্থার দুফলো সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। যখন নোবেল ঘোষণা করা হলো তখন এস্থার দুফলোর সাথে তার স্বামীর পরিচয়ও তুলে ধরা হলো। যতবড় প্রতিষ্ঠান কিংবা রীতি-নীতি হোক না কেন আমাদের সমাজের মানসিকতা বদলায়নি কোনো অংশেই। নারীকে সবসময় স্বামীর আলোকেই আলোকিত হয়ে থাকতে হয়।এখানে এস্থার দুফলোর মতো একজন অসামান্য নারীরও নিস্তার মিলল না তার নিজ পরিচয় কী যথেষ্ট নয়? অভিজিৎ বন্দোপাধ্যায় এর নামের সঙ্গে সস্ত্রীক জুড়ে দিয়ে দুফলোর কৃতিত্বকে ছোট করে দেখানো হলো।

নারীমুক্তি আন্দোলনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া বলেছেন ‘পুরুষদের স্বার্থ ও আমাদের স্বার্থ ভিন্ন নহে, তাঁহাদের জীবনের লক্ষ্য যাহা, আমাদের লক্ষ্যও তাহা’। কিন্তু সমাজ তা মানতে নারাজ। সমাজ চায় নারী সবসময়ই আশ্রিত থাকবে পুরুষের কাছে একটি উপভোগ্য বস্তু হিসেবে।

সাম্যবাদ সাম্যের কথা বলে। মানবতাবাদ মানুষের কথা। আর বর্ণবাদের কাজ হচ্ছে চিৎকার করে চিরকাল একটি বর্ণের কথা বলা। কিন্তু কাউকে তার মানবিক গুণের বদলে চেহারার মাপকাঠিতে বিচার করা অন্যায় ও অশিক্ষা। সেই ধারাবাহিক লজ্জার ইতিহাসে আতœগোপন করে আছে অসংখ্য নাম এবং অসংখ্য কালো মেয়েদের যন্ত্রণা। মাত্র দুটি অক্ষরের একটি শব্দ ‘কালো’ এই শব্দ মিসাইলের মতো কাজ করে। এই একটি শব্দ ছুঁড়ে দিলেই একটি মেয়ে কেমন কুঁকড়ে যায়, অসম্মানিত বোধ করেন। অসহায় হয়ে পড়েন। আসলে গায়ের রং দিয়ে যারা মানুষকে অপমান করেন তাদেরই লজ্জা পাওয়া উচিত। কিন্তু একটা উল্টো পিঠকেই আজীবন মানুষ সঙ্গ দিয়ে এসেছে সমাজে। যে মধ্যযুগীয় ভ্রান্ত কথাগুলো অনেক আগেই মিটে যাওয়ার কথা সেগুলোই প্রতিধ্বনিত হচ্ছে আজকের সমাজের দেওয়ালজুড়ে,বন্ধ দুয়ারে এবং প্রকাশ্যেও।
মেয়েদের জীবনে যে সমস্যাগুলো আছে তা মূলত পুরুষদের সৃষ্টি, সমাজেরই সৃষ্টি, পরিবারেরই সৃষ্টি। তাই এ সমস্যা সমাধানেও এগিয়ে আসতে হবে পুরুষকে, সমাজকে,পরিবারকে। নারীর অধিকার ও মর্যাদার বিষয়টি একা নারীর নয়। নারীর প্রতি সব পুরুষ যতোদিন সংবেদনশীল হয়ে না উঠবে ততোদিন সমানাধিকারের বিষয়টি অধরাই থেকে যাবে।
লেখক : কবি ও শিক্ষক।

Please follow and like us:
3