রবি. মে ১৯, ২০১৯

ডিম নিয়ে যত ভ্রান্ত ধারণা

ডিম নিয়ে যত ভ্রান্ত ধারণা

Last Updated on

প্রত্যাশা ডেস্ক : ডিম হলো আমিষের (প্রোটিন) সস্তা এবং সুলভ উৎস। ডিম ৬.৩ গ্রাম আমিষ, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি২ (রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি, জিংক, আয়রন এবং কপারের একটি পরিপূর্ণ প্যাকেট। ডিম হতে পারে একটি চমৎকার এবং স্বাস্থ্যসম্মত ব্রেকফাস্টের উপাদান। কিন্তু এত পুষ্টিকর হওয়ার পরেও জনশ্রুতি রয়েছে যে, ডিম নাকি ততটা স্বাস্থ্যকর নয়। ডিম অবসান হোক ভ্রান্ত ধারণার-
খাওয়ার একটি সীমা আছে : ডিম খেতে কোনো সীমা নেই, এটা আপনার শরীরের চর্বি এবং আমিষের চাহিদার ওপর নির্ভর করে। কিন্তু অবশ্যই মনে রাখতে হবে, অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো না।
কিডনির ক্ষতি করতে পারে : অনেকে মনে করেন যে ডিম বেশি খাওয়ার ফলে ডিমের সাদা অংশ কিডনির ক্ষতি করতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ বিপরীত। আমিষ (ডিমের সাদা অংশে আমিষ থাকে) কিডনিকে সুরক্ষিত রাখে।
হতে পারে ফুসকুড়ি ও ব্রণ : মোটেই না, আপনি যদি ডিমের প্রতি সংবেদনশীল বা এলার্জিক না হয়ে থাকেন তা হলে ডিমের কারণে ফুসকুড়ি (পিম্পল) বা ব্রণ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। আপনি যদি ভেবে থাকেন ডিমের কারণেই আপনার ফুসকুড়ি বা ব্রণ হয় তা হলে নিশ্চিত হতে খাদ্যের প্রতি সংবেদনশীলতার পরীক্ষা (ফুড এলার্জি টেস্ট) করে দেখতে পারেন যে ডিম আদৌ আপনার ত্বকে কোনো প্রভাব ফেলছে কিনা।
শুধু ফিটনেস ভালো রাখার জন্য রোগীর পথ্য : ডিম ১ বছরের বাচ্চা থেকে ৬০ বছরের বৃদ্ধ যে কেউ খেতে পারেন।
কুসুম অস্বাস্থ্যকর : যদিও এটি সত্য যে ডিমের কুসুমে বেশি চর্বি এবং আমিষ থাকে, কিন্তু যদি সংযতভাবে খাওয়া হয় তা হলে তারা ক্ষতিকর নয়।
ফ্রিজে রাখা প্রয়োজন : এটি নির্ভর করে আপনি কোন দেশে বাস করেন তার ওপর। আমেরিকান ডিম ঠান্ডায় রাখা উচিত কিন্তু অন্য দেশে ডিম কক্ষ তাপমাত্রায় বেশ কিছুদিন রাখা যেতে পারে। তথ্যসূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়

Please follow and like us:
0