ট্রাম্পের ঘোষণার পরও নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতিতে অটল পেন্টাগন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোরিয়ায় সামরিক মহড়া বাতিলের ঘোষণা দিলেও ‘লৌহবর্ম’ নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতিতে অবিচল থাকার ব্যাপারে মিত্রদের আশ্বস্ত করেছে পেন্টাগন। সিঙ্গাপুরে উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে ঐতিহাসিক বৈঠকের পর মঙ্গলবার ট্রাম্প কোরীয় অঞ্চলে ‘যুদ্ধ মহড়া’ বাতিলের ঘোষণা দেন। তার এ পদক্ষেপকে পিয়ংইয়ংয়ের জন্য ‘বড় ধরনের ছাড়’ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ ঘোষণা এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদেরও তাক লাগিয়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। দক্ষিণ কোরিয়া বলেছে, তারা ট্রাম্পের ঘোষণার ‘সত্যিকারের অর্থ ও উদ্দেশ্য’ খতিয়ে দেখছে।
গত মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইন মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে টেলিফোনে মিনিট বিশেকের মতো কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স। আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে কোরিয়ায় সামরিক মহড়ার বিষয়ে কোনো কথা হয়েছে কি না, তার উল্লেখ পাওয়া যায়নি। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ঐতিহাসিক বৈঠকে দুই নেতা পরস্পরকে তাদের দেশ সফরে আমন্ত্রণ জানালে দুজনই তা গ্রহণ করেন। কিম ‘সুবিধাজনক সময়ে’ মার্কিন প্রেসিডেন্টকে পিয়ংইয়ং আসার কথা বললে ট্রাম্পও উত্তরের নেতাকে যুক্তরাষ্ট্র সফরের আমন্ত্রণ জানান। “দুই নেতা আন্তরিকতার সঙ্গে পরষ্পরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন,” জানিয়েছে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ। বৈঠকের পর প্রথম মন্তব্যে কিম ‘একে অপরের বিরুদ্ধে উত্তেজক ও  বিরক্তিকর সামরিক পদক্ষেপ’ বন্ধ করাকে ‘জরুরি’ হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করেছেন বলেও জানিয়েছে তারা। “দুই দেশেরই উচিত একে অপরের বিরোধিতা থেকে নিজেদের বিরত থাকার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়া এবং এ বিষয়ে আইনী ও প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ গ্রহণের নিশ্চয়তা দেওয়া,” কিম এমনটাই বলেছেন বলে খবর কেসিএনএ-র। মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের সানতোসা দ্বীপে অনুষ্ঠিত ট্রাম্প-কিম বৈঠকে কোরীয় অঞ্চলের উত্তেজনা হ্রাস ও পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টিই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি। যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্বরত কোনো প্রেসিডেন্টের সঙ্গে উত্তরের কোনো শীর্ষ নেতার প্রথম এ আনুষ্ঠানিক বৈঠকটি এক পৃষ্ঠার একটি সমঝোতা ঘোষণার মাধ্যমে শেষ হয়। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সংবাদ সম্মেলনে আসে কোরিয়ায় সামরিক মহড়া বাতিলের ঘোষণা।
ট্রাম্পের ঘোষণার পরও নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতিতে অটল পেন্টাগন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোরিয়ায় সামরিক মহড়া বাতিলের ঘোষণা দিলেও ‘লৌহবর্ম’ নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতিতে অবিচল থাকার ব্যাপারে মিত্রদের আশ্বস্ত করেছে পেন্টাগন। সিঙ্গাপুরে উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে ঐতিহাসিক বৈঠকের পর মঙ্গলবার ট্রাম্প কোরীয় অঞ্চলে ‘যুদ্ধ মহড়া’ বাতিলের ঘোষণা দেন। তার এ পদক্ষেপকে পিয়ংইয়ংয়ের জন্য ‘বড় ধরনের ছাড়’ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ ঘোষণা এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদেরও তাক লাগিয়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। দক্ষিণ কোরিয়া বলেছে, তারা ট্রাম্পের ঘোষণার ‘সত্যিকারের অর্থ ও উদ্দেশ্য’ খতিয়ে দেখছে।
গত মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইন মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে টেলিফোনে মিনিট বিশেকের মতো কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স। আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে কোরিয়ায় সামরিক মহড়ার বিষয়ে কোনো কথা হয়েছে কি না, তার উল্লেখ পাওয়া যায়নি। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ঐতিহাসিক বৈঠকে দুই নেতা পরস্পরকে তাদের দেশ সফরে আমন্ত্রণ জানালে দুজনই তা গ্রহণ করেন। কিম ‘সুবিধাজনক সময়ে’ মার্কিন প্রেসিডেন্টকে পিয়ংইয়ং আসার কথা বললে ট্রাম্পও উত্তরের নেতাকে যুক্তরাষ্ট্র সফরের আমন্ত্রণ জানান। “দুই নেতা আন্তরিকতার সঙ্গে পরষ্পরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন,” জানিয়েছে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ। বৈঠকের পর প্রথম মন্তব্যে কিম ‘একে অপরের বিরুদ্ধে উত্তেজক ও  বিরক্তিকর সামরিক পদক্ষেপ’ বন্ধ করাকে ‘জরুরি’ হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করেছেন বলেও জানিয়েছে তারা। “দুই দেশেরই উচিত একে অপরের বিরোধিতা থেকে নিজেদের বিরত থাকার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়া এবং এ বিষয়ে আইনী ও প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ গ্রহণের নিশ্চয়তা দেওয়া,” কিম এমনটাই বলেছেন বলে খবর কেসিএনএ-র। মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের সানতোসা দ্বীপে অনুষ্ঠিত ট্রাম্প-কিম বৈঠকে কোরীয় অঞ্চলের উত্তেজনা হ্রাস ও পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টিই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি। যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্বরত কোনো প্রেসিডেন্টের সঙ্গে উত্তরের কোনো শীর্ষ নেতার প্রথম এ আনুষ্ঠানিক বৈঠকটি এক পৃষ্ঠার একটি সমঝোতা ঘোষণার মাধ্যমে শেষ হয়। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সংবাদ সম্মেলনে আসে কোরিয়ায় সামরিক মহড়া বাতিলের ঘোষণা।

Please follow and like us:
0