টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অদল-বদল হতে পারে : গাভাস্কার

ক্রীড়া ডেস্ক || আজকের প্রত্যাশা ডটকম

 

চলমান করোনা ভাইরাসের কারণে বিশ্বের অনান্য জিনিসের মতো ক্রীড়াও থমকে গেছে। প্রায় সব খেলাধুলাই আপাতত স্থগিত রয়েছে।

 

দীর্ঘ এক মাসের বেশি সময় ধরে কোনো ধরনের ক্রিকেট মাঠে গড়াচ্ছে না। শুধু তাই নয় ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ অনেক সফর ও আসর নিয়ে এখনই শঙ্কা জেগেছে।

 

সবচেয়ে বড় শঙ্কাটি হচ্ছে আগামী অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে। তবে এই সমস্যা সমাধানে অন্যরকম এক প্রস্তাব দিলেন ভারতের সাবেক ব্যাটিং গ্রেট সুনীল গাভাস্কার।

 

২০২০ ও ২০২১ সালে পর পর দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হওয়ার কথা রয়েছে। যার মধ্যে প্রথমটি অস্ট্রেলিয়ায় ১৮ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত।

 

আর ২০২১ সালে পরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হওয়ার কথা ভারতে। আর এই দুটি বিশ্বকাপ আয়োজনকে অদল-বদল করার পরামর্শ দিয়েছেন এই কিংবদন্তি।

 

তবে এই প্রস্তাব কার্যকর করতে হলে প্রথমত ভারতে করোনা সংক্রমণের প্রকোপ কমতে হবে। কিন্তু এমন প্রস্তাব আদৌ আইসিসি বা বোর্ড কর্মকর্তারা মেনে নেবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

 

এ ব্যাপারে এক সাক্ষাৎকারে গাভাস্কার বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিজ দেশে বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে ।

 

আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি। তাই এই স্বল্প সময়ের মধ্যে বিশ্বকাপের মতো বড় ক্রিকেট প্রতিযোগিতা আয়োজন করা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে তাদের জন্য। আগামী বছর (২০২১ সালে) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

 

যদি কয়েক মাস পরে ভারতে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে এবং সংক্রমণের ভয় দূর হয়, তা হলে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া নিজেদের মধ্যে চুক্তি করে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজন বদলাবদলি করে নিতেই পারে।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘সে ক্ষেত্রে ভারত চলতি বছরে অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অস্ট্রেলিয়ায় হওয়ার কথা ছিল তা আয়োজন করতে পারে।

 

আর আগামী বছর যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতে হওয়ার কথা, তা আয়োজন করতে পারে অস্ট্রেলিয়া।’এদিকে করোনার কারণে ভারতের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট আসর আইপিএলও স্থগিত হয়ে গেছে।

 

এছাড়া আগামী এশিয়া কাপ নিয়েও শঙ্কা জেগেছে। এ ব্যাপারেও গাভাস্কার বলেন, ‘যদি ভারত ও অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিজেদের মধ্যে বদলাবদলি করে নেয়, সে ক্ষেত্রে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে আইপিএল আয়োজন করাই যায়। এর ফলে ক্রিকেটাররাও প্রস্তুতি সেরে নিতে পারবে।

 

তার পরে ডিসেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হবে এশিয়া কাপ।’

Please follow and like us: