শনি. সেপ্টে ২১, ২০১৯

জামালপুরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

Last Updated on

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জামালপুরে সাবির্ক বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে যমুনার পানি বিপদসীমার ১১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পব্রাহিত হয়। জামালপুর পানি উনয়œন বোডের্র (পাউবো) গেজ রিডার আব্দুল মান্নান জানান, সকালে জামালপুর বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্ট এলাকায় পানি ২০.৬২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পব্রাহিত হচ্ছে। ফলে, এ এলাকায় পানি ১১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পব্রাহিত হচ্ছে। বন্যার পানিতে জেলার ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ, মাদারগঞ্জ, মেলান্দহ ও সরিষাবাড়িসহ ৫টি উপজেলার ৩০টি ইউনিয়নের দুই লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এসব উপজেলায় রা¯াÍ-ঘাট, ঘরবাড়িসহ তলিয়ে গেছে কৃষকের পাট, রোপা আমন বীজতলা, সবজি বাগান, পুকুর ও ফসলি জমির মাঠ তলিয়ে গেছে। ইতোমধ্যেই জেলার দু’শতাধিক শিক্ষা প্িরতষ্ঠানে বন্যার পানি উঠায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকা বিশুদ্ধ পানি, খাবার সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার ইসলামপুরের ১০টি ইউনিয়ন পাøবিত হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ। বন্যার পানিতে পশ্চিমাঞ্চলের গুঠাইল, উলিয়া, পচাহলা ও পাথর্শীসহ বিভিন œএলাকার পধ্রান সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় উপজেলা সদর থেকে পত্র্যš Íঅঞ্চলের যোগাযোগ ব্যব¯া’ বিচ্ছিন œহয়ে পড়েছে। জামালপুর জেলা পশ্রাসক শাহাবুদ্দিন খান জানান, জেলা পশ্রাসন থেকে এ পযর্š Íজেলার ৫টি উপজেলার জন্য ২৬৭ মেটিক্রটন চাল ও নগদ ২ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। বন্যাকবলিত ১৫ জেলায় পর্যাপ্ত ত্রাণ পাঠানো হয়েছে বন্যাকবলিত ১৫টি জেলায় এখন পযর্š Í৪ হাজার ৩৫০ মেটিক্রটন জিআর খাদ্যশস্য পাঠানো হয়েছে। বিতরণের
জন্য দুর্যোগ ব্যব¯া’পনা অধিদপ্তরকে ৬ হাজার মেটিক্রটন চাল ও নগদ ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা ছাড় করা হয়েছে। বিভিন œত্রাণসামগ্রীর ৫ হাজার ৬৬৭ প্যাকেট পাঠানো হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে বিশুদ্ধ পানি ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট পাঠানো হচ্ছে। দুর্যোগ ব্যব¯া’পনা ও ত্রাণমšী¿ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ঊধ্বর্তন কমর্কর্তাদের সঙ্গে চলমান বন্যা পরি¯ি’িত নিয়ে মতবিনিময় করেন। সভায় ত্রাণ কাযর্ক্রম সংক্রাš Íএসব তথ্য উপ¯া’পন করা হয়। ত্রাণসচিব মো. শাহ ্কামাল, দুর্যোগ ব্যব¯া’পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রিয়াজ আহমেদ এ সময় উপ¯িত’ ছিলেন। সভায় মšী¿ বলেন, দুর্যোগ ব্যব¯া’পনার সকল কাজে বিশেষত চলমান বন্যায় ত্রাণ তৎপরতা ও উদ্ধার কাজে মšণ¿ালয় ও মাঠ পর্যায়ের সকল কমর্কর্তাদের সতকর্তা ও আšÍিরকতার সঙ্গে দায়িত ¡পালন করতে হবে। বন্যায় আক্রাš Íসকল উপজেলার সাথে নিবিড় যোগাযোগ রাখতে হবে যাতে কোনো মানুষ খাদ্য, পানীয়, ঔষধসহ কোনো কিছুতে অভাব বোধ না করে। সভায় ইতোমধ্যে ত্রাণ তৎপরতা মনিটরিং করার জন্য কমর্কর্তাদের দুগর্ত এলাকায় পাঠানো হয়েছে বলে সচিব মšী¿কে অবহিত করেন। এ সময় প্িরতদিনের ত্রাণকাযর্ সংবাদকর্মীদের জানানোর জন্য মšী¿ গুরুতা¡রোপ করেন। এ ছাড়া আশয়্রকেন্দগ্রুলো প¯্রত‘ রাখা ও সেখানে যাতে মানুষ নিরাপদে থাকতে পারে, খাদ্য ও পানীয়ের কোনো সমস্যা না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখার জন্য মšী¿ কমর্কর্তাদের নিদের্শ দেন। এ বছরের পক্রল্প পরিকল্পনা ও দরপত্র আহ্বান শীঘই্র শেষ করার জন্য মšী¿ কমর্কর্তাদের নিদের্শ দেন। দ্রুত সিদ্ধাšেরÍ অভাবে যাতে পক্রল্প বা¯বÍায়নে সমস্যা না হয় সে জন্য কের্ন্দের সাথে প্রাšেরÍ যোগাযোগ নিবিড় করতেও নিদের্শ দেন। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে দুর্যোগ ব্যব¯া’পনার নতুন নতুন পক্রল্প গহ্রণের ওপর তিনি গুরুতা¡রোপ করেন।

Please follow and like us:
2