শনি. আগ ১৭, ২০১৯

ঘাস-খড়, পাতা ও খাটিয়া বিক্রিতে ব্যবসা জমজমাট

ঘাস-খড়, পাতা ও খাটিয়া বিক্রিতে ব্যবসা জমজমাট

Last Updated on

নিজস্ব প্রতিবেদক : মাত্র একদিন পর কোবানির ঈদ। তাই কোরবানির পশু কেনার ধুম পড়েছে। কেউ কিনছেন গরু, কেউ বা কিনছেন মহিষ, ছাগল কিংবা ভেড়া। আর কোরবানিকে কেন্দ্র করে পশুর খাবার (যেমন কাঁচা ঘাস, খর, ভুষি, বাঁশ ও কাঁঠাল পাতা) এবং জবাই সরঞ্জাম (খাটিয়া, পাটি, চাটি-দাড়ি)হাট-বাজার, রাস্তা-ঘাট এমনকি রাজধানীর অলি-গলিতে বিক্রি করছেন স্বল্প পুঁজির মানুষ। তাতে মৌসুমী ব্যবসায়ীদের লাভও হচ্ছেন দ্বিগুণ। প্রতিবছরের মতই এবারও এক হাজার কাঠের গুঁড়ি (খাটিয়া) তৈরি করেছে এন এস মেসার্স টিম্বারস। মেরুলবাড্ডার এই স’মিল থেকে পাইকারি দামে (১৫০-৬০০টাকা পর্যন্ত) কিনছেন স্বল্পপুঁজির ব্যবসায়ীরা। স’মিলে কর্মরত এনামুল হক মন্টু বলেন, বাড্ডা, নতুন বাজার, শাহজাদপুরসহ এই এলাকার মৌসুমি ব্যবসায়ীরা প্রতিবছর আমাদের কাছ থেকে গাছের গুঁড়ি নেয়। ছোট-বড় আকারে ভেদে এগুলো একশ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। তিনি বলেন, খাটিয়া বিক্রি আমাদের বাড়তি ইনকাম। এগুলো তেঁতুল কাঠের তৈরি। শাহজাহানপুরে খাটিয়া ব্যবসায়ী এমদাদুল হক বলেন, ২০০ খাটিয়া বিক্রির জন্য এনেছি। ১৫০, ২০০, ৩০০ ৪০০টা পর্যন্ত বিক্রি করেছি। তিনি হেসে বললেন, ভাল লাভ হচ্ছে। গতবার অর্ধলক্ষ টাকা লাভ হয়েছিলো। এবার আশা করছি লাখ টাকা হবে। কমলাপুর জসিমদ্দিন রোডে খোলা রাস্তায় খর, ভুষি, গম বিক্রেতা নাজমুল হাসান বলেন, প্রতি পিছ খর (ন্যাড়া) ১৫-২০ টাকা দামে বিক্রি করছি। আবার পরিচিত হলে ১০ টাকা করেও দিচ্ছি। লাভ হচ্ছে বলতেই-মুচকি হাসি দিয়ে বললেন, ভাল হচ্ছে। খর কেনা ও যাতায়ত ভাড়া বাবদ খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা। আশা করি, এক থেকে দেড় লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবো। তার থেকে ২০০ গজ দূরে কাঠাল পাতা ও খর বিক্রি করছেন দুই তরুণ। ভৈরব থেকে ৩ ট্রাক খর ও কাঁঠাল পাতা আনা মুরশিদ বলেন, ব্যবসার আশায়ই তো আনছি। বৃষ্টি না হলে, ভাল লাভ পাবো। এজিবি কলোনি থেকে কুড়া, ভুষি কেনা ব্যাংক কর্মকর্তা রোকন বলেন, গমের ভুষি ৫০টাকা কেজি আর ধানের কুড়া ৩০টাকা কেজি কিনেছি। আরামবাগের বাসিন্দা ইমন বলেন, কাঁচা ঘাস কিনেছি ৩০টাকা থেকে ১৫০ টাকা আটি দামে। তার মধ্যে ভাতাসুভা ঘাস কিনেছি ১৫০টাকা আটি। দূর্বা ও কামড়ি ঘাসি কিনেছি ৪০-৫০টাকা আটিতে।

Please follow and like us:
2