ঋতুরাজে একাকার বইমেলা

ফাল্গুনের পয়লা দিনে বাসন্তি পোশাক আর গাঁদা-গোলাপের সজ্জায় বর্ণিল নগরের দৃশ্যপট। সেই রঙিন ছটা ছড়িয়ে পড়েছিল বইমেলায়ও।

মেলার ত্রয়োদশ দিনে উচ্ছ্বসিত তারুণ্যের পদচারণ সে কথাই বলছিল। ঋতুরাজকে বরণের উৎসব আর বইয়ের মেলা এদিন একাকার মিলেমিশে।

বাসন্তি সাজে আসা তরুণ-তরুণীর হাতে থাকা বইগুলোও পরিণত হয়েছিল সাজেরই অংশে।

আনুষ্ঠানিকভাবে শিশুপ্রহরের ঘোষণা না থাকলেও সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় শনিবার বইমেলা ফটক খুলে দেওয়া হয় সকাল ১১টায়। সকালের দিকে ক্রেতাদের তেমন আনাগোণা না থাকলেও বিকেলে পুরো এলাকা রূপ নেয় জনসমুদ্রে।

শুধু পাঠক আগতদের মাঝেই না, বসন্তের ছোঁয়া লেগেছিলো স্টলগুলোতেও। বিক্রয়কর্মীরাও সেজে এসেছিলেন বসন্তের রঙে।

মানুষের ব্যাপক সমাগমের সমানতালে বইয়ের বিক্রি বাড়ায় খুশির ঝিলিক দেখা গেছে প্রকাশকদের মুখেও।

বিকেলের দিকে মেলা প্রাঙ্গণে কথা হয় বাসন্তি শাড়ি পরে মেলায় আসা সিটি কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে। মেলার ভিড় ঠেলে অন্যপ্রকাশের স্টলের সামনে দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন তারা। সবার মাথায় ছিল গাঁদা ফুলের মুকুট, সঙ্গে রেশমি চুড়ি।

Please follow and like us:
1