মঙ্গল. অক্টো ১৫, ২০১৯

আবরার হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল সারাদেশ

আবরার হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল সারাদেশ

Last Updated on

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদ রাব্বীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় চকবাজার থানায় করা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দাতে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের ডিসি মাসুদুর রহমান। তিনি জানান, আবরার হত্যার ঘটনায় গত সোমবার (৭ অক্টোবর) পর্যন্ত দশজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের দশ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, আবরার হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল হয়েছে সারাদেশ। দেশের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে অতিদ্রুত খুনিদের গ্রেফতার ও তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। দেশব্যাপী এসব কর্মসূচিতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ছাড়াও সব শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেনÑ মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রবিন, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান মুজাহিদ, মেহেদী হাসান রাসেল, মুহতাসিম ফুয়াদ ও ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না। উল্লেখ্য, রোববার রাত ৩টার দিকে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের একতলা থেকে দোতলায় ওঠার সিঁড়ির মাঝ থেকে আবরারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জানা যায়, ওই রাতেই হলটির ২০১১ নম্বর কক্ষে আবরারকে পেটান বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক জানিয়েছেন, তার মরদেহে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আবরার বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭ তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী ছিলেন। হত্যাকা-ের ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে সোমবার সন্ধ্যার পর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহত আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ্। এ ঘটনায় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আবরার হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল সারাদেশ : প্রতিনিধিদের পাঠানো প্রতিবেদনÑ
যশোর : আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে যশোর প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সাধারণ ছাত্র পরিষদ, যশোরের আয়োজনে দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন পরিষদের আহ্বায়ক আফরোজ সুলতানা মৌ, যুগ্ম আহ্বায়ক আশিক ইকবাল, আরিফ খান, নুসরাত নাজনীন, অলিক মোহাম্মদ প্রমুখ।
মানববন্ধন থেকে বক্তারা বর্বরোচিত এই হত্যাকা-ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
পটুয়াখালী : পটুয়াখালীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় পটুয়াখালী সরকারি কলেজের প্রধান ফটকে সর্বস্তরের শিক্ষার্থী’র ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে পটুয়াখালী সরকারি কলেজসহ জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল সরকারি কলেজ রোড এলাকা প্রদক্ষিণ করে। মনাববন্ধনে ছাত্র প্রতিনিধিরা দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাস বন্ধ করার পাশপাশি শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
তারা বলেন, দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে একের পর এক সাধারণ শিক্ষার্থীরা হত্যাকা-ের শিকার হচ্ছে। প্রতিটি হত্যাকা-ের পর আসামিদের গ্রেফতার কিংবা শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হলেও হত্যাকা- থামছে না। আমরা চাই, এ ধরনের আর কোনো ঘটনা না ঘটুক।
ছাত্রলীগ নামধারী কিছু সন্ত্রাসীর হাতে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা নানাভাবে হয়রানি ও নির্যাতন শিকার হচ্ছে দাবি করে তারা এই সন্ত্রাস বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এদিকে একই দাবিতে বাউফল উপজেলা হাসপাতালের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এছাড়া বিকেল ৪টায় সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া : আবরার ফাহাদ হত্যাকা-ের ঘটনায় জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে জেলার বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে ছাত্রলীগের সদস্যরা নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। স্বাধীন দেশে ভিন্ন মত প্রকাশের কারণে একজন ছাত্রকে পিটিয়ে মারা জঘন্য অপরাধ।
দেশে যাতে আর কোনো ছাত্রকে এভাবে নৃশংস হত্যাকা-ের শিকার হতে না হয় সেজন্য আবরার হত্যায় জড়িত ছাত্রলীগের সদস্যদের ফাঁসির দাবি জানান তারা।
রাজবাড়ী : আবরার ফাহাদ হত্যাকা-ে জড়িত ছাত্রলীগ সদস্যদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে রাজবাড়ীতে মানববন্ধন করেছে ছাত্র ইউনিয়ন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ছাত্র ইউনিয়ন রাজবাড়ী জেলা সংসদের আয়োজনে শহরের ১নং রেলগেট সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলকে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন ছাত্র ইউনিয়ন রাজবাড়ী জেলা সংসদের সভাপতি আব্দুল হালিম বাবু, সাধারণ সম্পাদক কাউছার আহমেদ রিপন, সাংগঠনিক সম্পাদক রাতুল হাসান জনি, শহর কমিটির সদস্য খালেদ বিন রনি ও জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি আব্দুস সামাদ মিয়া। মানববন্ধনে বক্তরা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের দাবি জানান। দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকি দেন তারা।
নোয়াখালী : আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদ ও বিচার দাবিতে নোয়াখালীতে মানববন্ধন করতে গিয়ে পুলিশি বাধায় পড়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে টাউন হল মোড়ে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় লাঠিচার্জ করে ও ধাওয়া দিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।
পরে সকাল সাড়ে ১০টায় পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে পুনরায় মানববন্ধন-সমাবেশে মিলিত হয় সাধারণ শিক্ষার্থীরা। প্রায় আধ ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন কলেজ ও মাদরাসার কয়েকশ শিক্ষার্থী অংশ নেন। এ সময় তারা আবরার হত্যার প্রতিবাদ ও বিচার দাবিতে নানা স্লোগান দেন। তারা আবরার হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার এবং দ্রুত বিচার আইনে শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানায়।
ময়মনসিংহ : আবরারের হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে মুখে কালো কাপড় বেঁধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে ময়মনসিংহের বিভিন্ন সংগঠন। মঙ্গলবার সকালে নগরীর ফিরোজ-জাহাঙ্গীর চত্বরে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে প্রগতিশীল ছাত্র জোট ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ জেলা শাখা। ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক মিল্লাত, সুজনের মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক আলী ইউসুফ, যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল আমীন রনি, ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি আসজাদুল বোরহান তাহাসিন, সাধারণ সম্পাদক বাহার উদ্দিন শুভ, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের জেলা শাখা আহ্বায়ক ঝর্ণা আফরিন, যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলামসহ সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের নেতার বক্তব্য রাখেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দখলদারিত্ব দূর করে আবরার হত্যাসহ সকল হত্যার বিচার দাবি করেন। পরে ফিরোজ-জাহাঙ্গীর চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে বুয়েট শিক্ষার্থীদের ৭ দফা দাবি, শিক্ষক সমিতির একাত্মতা প্রকাশ : অন্যদিকে, আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ৭ দফা দাবি ঘোষণা করেন। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে বুয়েট ক্যাফেটেরিয়ার সামনে থেকে মিছিল বের করেন তারা। শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছে শিক্ষক সমিতি। ‘আবরার ফাহাদ হত্যার বিচার চাই’ ব্যানারে মিছিলের পর সাধারণ শিক্ষার্থীরা সাংবাদিকদের সামনে সাত দফা দাবি তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বুযেটে ছাত্র রাজনীতি বন্ধেরও দাবি জানান তারা। দাবিগুলো হলো :
১. খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে
২. ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিশ্চিতভাবে শনাক্তকৃত খুনিদের সবার ছাত্রত্ব আজীবন বহিষ্কার করতে হবে।
৩. দায়েরকৃত মামলা দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে।
৪. বুয়েট উপাচার্য ঘটনার ৩০ ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার পরও ক্যাম্পাসে না আসার বিষয়ে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে তাকে সশরীরে ক্যাম্পাসে এসে জবাব দিতে হবে। ঘটনার পর ডিএসডব্লিউ (ছাত্রকল্যাণ পরিচালক) স্যারের ঘটনাস্থল থেকে পলায়নের বিষয়ে বিকেল ৫টার মধ্যে ক্যাম্পাসে এসে তাকে জবাব দিতে হবে।
৫. আবাসিক হলগুলোতে র্যাগের নামে ও ভিন্ন মতাবলম্বীদের ওপর সব প্রকার শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন বন্ধ এবং এসব ঘটনায় জড়িত সবার ছাত্রত্ব বাতিল করতে হবে। একই সঙ্গে আহসানউল্লাহ হল ও সোহরাওয়ার্দী হলে নির্যাতনের ঘটনাগুলোতে জড়িত সবার ১১ তারিখের বিকেল ৫টার মধ্যে ছাত্রত্ব বাতিল করতে হবে।
৬. রাজনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার করে আবাসিক হল থেকে সাধারণ ছাত্র উৎখাতের ব্যাপারে নীরব থাকা ও ছাত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হওয়ায় শেরে বাংলা হলের প্রভোস্টকে ১১ তারিখ বিকেল ৫টার মধ্যে প্রত্যাহার করতে হবে।
৭. মামলা চলাকালীন সব খরচ ও আবরারের পরিবারের সব ক্ষতিপূরণ বুয়েট প্রশাসনকে বহন করতে হবে।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত প্রধান ফটক বন্ধ ছিলো। তবে পকেট গেট দিয়ে শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকেরা ভেতরে ঢোকেন। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দরজা খুলে দেওয়া হয়।
হত্যার কথা স্বীকার করেছেন গ্রেপ্তার ১০ আসামি : বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার কথা স্বীকার করেছেন ছাত্রলীগের গ্রেপ্তার ১০ নেতাকর্মী। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।
ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি উঠছে বুয়েট ক্যাম্পাসে : আবরার ফাহাদ হত্যাকা-ের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা ক্যাম্পাসে রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার (০৮ অক্টোবর) বুয়েটের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান নিয়ে এ দাবি জানানো হয়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, বুয়েট ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতির নামে শিক্ষার্থীদের খুন করা হচ্ছে। এটা কোনোমতেই কাম্য নয়। আমরা ক্যাম্পাসে রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানাই। পরবর্তীতে তাদের এ দাবির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেন বুয়েটের ছাত্র কল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক মিজানুর রহমান ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. একেএম মাসুদ। অধ্যাপক মিজানুর রহমান বলেন, আমার মনে হয় না কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতির কোনো প্রয়োজন আছে। বিশেষ করে বর্তমান প্রেক্ষাপটে। বুয়েটেও নিষিদ্ধ করা উচিত। কবে নিষিদ্ধ করা হবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখানে বসে লিখে দিলে কিংবা বলে দিয়ে হয়ে যাবে না। তবে এসব বিষয় নিয়ে বুয়েটের ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যত দ্রুত সম্ভব কথা বলবেন বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়টির ছাত্রকল্যাণ পরিচালক। অপরদিকে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. একেএম মাসুদও চান ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ হোক।
এদিকে, বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ১১জনকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটি।

Please follow and like us:
2