মঙ্গল. ডিসে ১০, ২০১৯

আন্তর্জাতিক মুরুব্বিদের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা

আন্তর্জাতিক মুরুব্বিদের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা

Last Updated on

নিজস্ব প্রতিবেদক : বঙ্গবন্ধু হত্যা ছিল ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত স্বাধীনতাবিরোধী, বাংলাদেশবিরোধী, দেশীয় বেইমান ও তাদের আন্তর্জাতিক মুরুব্বিদের ১৯৭১-এর পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে একটি সুপরিকল্পিত নির্মম রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড।
আজ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গতকাল বুধবার জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতারের দেয়া এক বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়।
জাসদ নেতারা বলেন, “১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যা জাতীয় ইতিহাসের সবচেয়ে বেদনাদায়ক ও কলঙ্কিত ঘটনা। হত্যাকারীরা শুধু ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তারা বাঙালি জাতির ‘আত্মা’কে হত্যা করে বাংলাদেশকে সাংবিধানিক-রাষ্ট্রীয়-রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিকভাবে পাকিস্তানের পথে পরিচালিত করতে চেয়েছিল।”
তারা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার পর বাঙালি জাতি মুশতাক-জিয়া ও তাদের উত্তরসূরী এরশাদ-খালেদার বিরুদ্ধে দীর্ঘ সংগ্রাম করে পাকিস্তানপন্থীদের থেকে বাংলাদেশকে আবার বাংলাদেশের পথে ফিরিয়ে এনেছে। জাতি বঙ্গবন্ধুকে স্বমহিমায় পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে। সংবিধানে রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে।’
জাসদ নেতারা আরও বলেন, ‘বেইমানরা রাজনৈতিকভাবে পরাজিত ও কোনঠাসা হলেও এখনও আত্মসমর্পণ করেনি। এখনও গোপনে বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্র-চক্রান্তে লিপ্ত তারা। তাই পাকিস্তানপন্থীদের সমূলে বিনাশ এবং বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, সমাজতান্ত্রিক সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলে বিশ্বের দরবারে বাঙালি জাতিকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানাতে হবে।’
বিবৃতিতে নেতারা যথাযথ মর্যাদায় ভাবগম্ভীর পরিবেশে জাতীয় শোক দিবস পালনের জন্য দলের সকল জেলা ও উপজেলা কমিটির প্রতি নির্দেশ দেন।
শোক দিবসে জাসদের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আজ সকল ৮টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান এবং ১৯ আগস্ট বিকেল ৩টায় নগরীর শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে আলোচনা সভা।

Please follow and like us:
3