অক্ষমতা রোধে প্রোটিন

অক্ষমতা রোধে প্রোটিন

প্রত্যাশা ডেস্ক : বৃদ্ধ বয়সে প্রোটিন গ্রহণের পরিমাণ বাড়ালে অক্ষম হওয়ার ঝুঁকি কমতে পারে। এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে য্ক্তুরাজ্যের নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটি’র এক গবেষণায়। দৈনিক প্রোটিন গ্রহণের মাত্রা বাড়ালে পেশিক্ষয়ের হার মন্থর হয়। তাই বার্ধক্য যতই এগিয়ে আসবে, প্রোটিন গ্রহণের মাত্রা ততই বাড়িয়ে দিলে বৃদ্ধ বয়সেও স্বাভাবিক কাজকর্ম করার ক্ষমতা বজায় থাকবে। একেবারেই পরনির্ভরশীল হওয়ার ঝুঁকি কমবে।
গবেষণায় দেখা গেছে, প্রোটিন বেশি খেলে শারীরিক অক্ষমতার ঝুঁকি বিলম্বিত হয়। আর এই শারীরিক অক্ষমতাই বৃদ্ধ বয়সে নিজের হাতে খাবার তুলে খাওয়া, গোসল, কাপড় পরা ইত্যাদি দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকে অসাধ্য করে তোলে। প্রধান গবেষক, নুনো মেনডোনকা বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে সুস্থ ও সচল অবস্থায় বার্ধক্যে পদার্পনের উদ্দেশ্যে প্রতিদিনের প্রোটিন গ্রহণের মাত্রা বৃদ্ধির যে ধারণা প্রচলিত হয়েছে তা সমর্থন করে আমাদের গবেষণার ফলাফল।”
‘জার্নাল অফ দ্য আমেরিকান জেরিয়াট্রিক্স সোসাইটি’তে প্রকাশিত এই গবেষণায় ইংল্যান্ডের উত্তর-পূর্বাঞ্চালের ৭২২ জনকে পর্যবেক্ষণের আওতায় আনেন গবেষকরা। এদের মধ্যে ৬০ শতাংশই ছিলেন নারী। অংশগ্রহণকারীরা তাদের খাদ্যাভ্যাস, ওজন, উচ্চতা, যে কোনো শারীরিক অক্ষমতাসহ সার্বিক স্বাস্থ্যগত অবস্থা এবং তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত সকল তথ্য গবেষকদের সরবরাহ করেন। পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, বয়স্করা তরুণদের তুলনায় কম পরিমাণে প্রোটিন গ্রহণ করেন। এর পেছনে মূখ্য কারণগুলো হল- তুলনামূলক স্বাস্থ্যগত দূরাবস্থা, শারীরিক পরিশ্রমের মাত্রা কম এবং দাঁত ও মুখগহ্বরের অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি। তবে গবেষণায় ফলাফল বলছে, যারা এই বয়সে বেশি প্রোটিন গ্রহণ করেছেন তাদেরই শারীরিকভাবে অক্ষম ও পরনির্ভরশীল হয়ে পড়ার আশঙ্কা যারা কম প্রোটিন গ্রহণ করেন তাদের তুলনায় কম।
পরিশেষে গবেষকদের পরামর্শ হল, বয়স্ক ব্যক্তিদের ওজন প্রতি ২.২ পাউন্ডের বিপরীতে ১ থেকে ১.২ গ্রাম পরিমাণ প্রোটিন গ্রহণ করা উচিত।

Please follow and like us:
0